"যুবশক্তির হাত ধরে ২০৪৭-এর উন্নত ভারত” বার্তাকে সামনে রেখে উদযাপিত হলো "হর ঘর তিরঙ্গা" কর্মসূচি
Bengal Times News, 20 August 2026
বেঙ্গল টাইমস নিউজ, বর্ধমান : "হর ঘর তিরঙ্গা" কর্মসূচির অধিনে "যুবশক্তির হাত ধরে ২০৪৭-এর উন্নত ভারত” বার্তাকে সামনে রেখে শারিরীক সুস্থতা, টেকসই উন্নয়ন ও দূষণ মুক্ত পরিবেশের প্রচারে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্টার্ট আপ ফাউন্ডেশন ও পূর্ব বর্ধমান সাইক্লিং ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবসে মধ্যরাত্রিকালীন মিনি ম্যারাথন আয়োজিত হয় বর্ধমানে।
উল্লাশ মোড় থেকে বিজয় তোরণ পর্যন্ত আয়োজিত ৫ কিমি দীর্ঘ এই ম্যারাথনে তিরঙ্গা হাতে এই দৌড়ে অংশ নেয় পড়শি জেলা ভিন রাজ্য থেকে সহশ্রাধিক পেশাদার দৌড়বিদ ও জেলার বহু সাধারণ মানুষ, রাস্তার দুইপাশে মধ্যরাতেও অগণিত মানুষ দাঁড়িয়ে থেকে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ দেয়, তাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতন, আয়োজকদের দাবী রাজ্যে তথা দেশে মধ্যরাতে জাতীয় পতাকা হাতে ম্যারাথনের উদ্যোগ প্রথম।
দৌড়ে ১৬৯ জন কিশোরী ও মহিলা ৬৪১ জন কিশোর ও পুরুষ ৬৪ জন প্রবীণ নাগরিক ও ১৩ জন ৫ বছরের কম বয়সী শিশু অংশ নেয় দৌড়ে, জাতীয় পতাকা না আনায় যোগ্যতা পর্বে বাদ যায় কিছুজন, জেলা প্রশাসনের বেশ কিছু কর্মী ও আধিকারিক অংশ নেয় এদিন, সব মিলিয়ে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা পৌঁছায় ১২৬৪ জনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক শ্বেতা আগরওয়াল, রাজ্য মন্ত্রীসভার প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, বর্ধমান বিভাগের বিভাগীয় বন আধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা, উদ্যোগপতি রোশনী দাস ভট্টাচার্য সহ একাধিক অতিরিক্ত জেলা শাসক, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটরা, ঠিক রাত ১২টায় বন্দেমাতরমে গেয়ে দৌড় শুরু হয়, উদ্বোধন শেষে তারাও অংশ নেন ১কিমি দৌড়ে, ফেরার সময় জেলাশাসকের গোটা যাত্রা পথে প্রতিযোগীদের উৎসাহ প্রদান ও তাদের এবং পথের ধারে দাঁড়ানো মানুষদের ক্রমাগত স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা নজর কাড়ে, বর্ধমান কতটা সুরক্ষিত তা বোঝার জন্য তিনি সকল অংশগ্রহণকারীরা চলে যাওয়ার পর গুটিকতক মহিলা আধিকারিক দের নিয়ে ফাঁকা রাস্তায় হাঁটতে থাকেন।
বন্দেমাতরমের ১৫০ বছর উপলক্ষ্যে ম্যারাথনের শুরুতে প্রতিমন্ত্রী নিজে প্রধান গায়িকার ভূমিকা নেন, উল্লাশে তার সাথে গলা মেলায় প্রতিযোগীরা, হয় লাড্ডুবিলিও, আয়োজকদের তরফে প্রতিযোগীদের জণগণণায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হয়, প্রথম ৪০০ জন দৌড় সম্পূর্ণকারীর জন্য ছিল "ফিনিশার মেডেল", সকলের জন্য ছিল অংশগ্রহণের সংশাপত্র, উদ্যোক্তাদের তরফে সন্দীপন সরকার জানান "ছেলেদের বিভাগে সেরা তিন এমডি ফাইম, সাগর মাড্ডি, মাসুদ হোসেন ঘড়ামি ও মেয়েদের বিভাগে সেরা তিন শর্মিলা মন্ডল, মমতারীনা ঘরামি, সুচরিতা সরদার।
মহিলা ও পুরুষ বিভাগে সেরা ১০ এর জন্য ছিল আর্থিক পুরস্কার ও উপহার, জাতীয় পতাকা বিহীন অবস্থায় কিছু অংশগ্রহণ কারীদের কর্মসূচির পূর্ব ঘোষিত নিয়ম মেনে বাতিল করা হয়, মধ্যরাতে বিজয় তোরণ চত্বর মুখরিত হয়ে ওঠে জাতীয় পতাকা ও জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম স্লোগানে, কোর্ট কম্পাউন্ড চত্বরের নেতাজী মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষ হয় এই কর্মসূচি"।








